প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার দেশজুড়ে ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে জনসাধারণের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলমান তীব্র বন্যা পরিস্থিতি এবং আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির মাঝে সরকার কর্তৃক প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বানকে তিনি ‘বেদনাদায়ক পরিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে, নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপিকে তিনি ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে শ্রীলেখা মিত্র তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অভিনেত্রী তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘মানুষকে বলা হচ্ছে প্রদীপ জ্বালাতে। কী এক অদ্ভুত বৈপরীত্য... আমাদের জীবনকে নরকে পরিণত করার পর এমন আবদার! ঠিক যেন এক বেদনাদায়ক পরিহাস।’
শ্রীলেখা বিজেপি ও সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে আরও লিখেছেন, ‘একজন স্বৈরাচার—অথবা এক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী—সাধারণ মানুষের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে; সম্পত্তি ধ্বংস করছে, ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে, জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, আর সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করছে; অথচ একই সঙ্গে তারা দাবি করছে যে তারা স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর অবতার!’
বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছি? আমরা কেমন এক সমাজ গড়ে তুলছি, যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ভক্ত হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়, আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের তকমা দেওয়া হয় দিমাগি নকশাল হিসেবে? এমন এক সময় যখন ভয়ই হয়ে ওঠে শাসনের হাতিয়ার আর ভিন্নমতকে দেখা হয় বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে?’
ভারতের এই পরিস্থিতিকে তিনি একটি ‘ঘোরতর পরিহাস’ এবং ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন।
ক্ষমতাসীনদের কর্মসূচির বিপরীতে সামাজিক মাধ্যমে শ্রীলেখার এই অবস্থান ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন কমেন্ট বক্সে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন