প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
টানা ১০ দিন ধরে আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ অব্যাহত রয়েছে, যা এক ও অভিন্ন দাবির ভিত্তিতে চলছে।
ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাবসহ সব নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে প্রশাসনের নীরবতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেমে নেই; বরং তারা প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রতিবাদের ভাষা তুলে ধরছেন।
চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দশম দিনে প্রবাহিত হয়েছে। একই দাবিতে টানা পঞ্চম দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এদিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের প্রতিবাদী কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও কঠোর অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে প্রতিবাদী কনসার্টের আয়োজন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রতিবাদের ভাষা তুলে ধরেন।
কনসার্টে অংশ নেওয়া তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম জনি বলেন, “আমাদের প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে গান ও কবিতা। এর সঙ্গে থাকবে আমাদের আলোকচিত্র। আমরা এতদিন যেভাবে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছি, আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমেও প্রতীকীভাবে বোঝাতে চাই যে আমাদের প্রতিবাদ এখনো শেষ হয়নি। আমাদের দাবি-দাওয়া ততদিন পর্যন্ত চলমান থাকবে, যতদিন না সায়েম স্যারকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহাল করা হচ্ছে। আমরা চাই, সায়েম স্যারকে আবারও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হোক। আমাদের এই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে, থামবে না।"
উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন