প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের আসামে বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক রূপ নিয়েছে। রাজ্যটিতে নতুন করে ৩১ জনের মৃত্যুর সংবাদ মিলেছে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই অন্তত ২১ জন মারা গেছেন।
আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, রাজ্যের ১৬টি জেলায় ৫.৬৪ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া, বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ২৪ হাজার ২১০.৩৫ হেক্টর ফসলি জমি। ৪৪টি রাজস্ব সার্কেলের অধীনে ৮৭২টি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্যও রয়েছে।
দুর্গত স্থানগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন খোলা ২৭৩টি ত্রাণ শিবির ও ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে বর্তমানে ১.১৪ লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
বন্যাকবলিত অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন মিলে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
গত ১৯ জুলাই জোড়হাট জেলার টিয়ক রাজস্ব সার্কেলের সেলেং চা বাগানের কাছে সেলেং ঘাট থেকে এনডিআরএফ পাঁচজনকে উদ্ধার করে। পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া বাড়ির ছাদ থেকে এক তরুণী, তীব্র স্রোতে ভেসে যেতে থাকা এক ব্যক্তি এবং বন্যার পানিতে আটকে থাকা তিন নারীকে উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘ সময় ঠাণ্ডা পানিতে আটকে থাকার কারণে একজন বৃদ্ধা অতি সংকটজনক অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলেন, যার তীব্র হাইপোথার্মিয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা পাঁচজনকেই নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠায় এবং বিশেষ করে ওই বৃদ্ধাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ত্রাণ কেন্দ্রে পাঠায়।
এদিকে, বন্যা ও ত্রাণ কার্যক্রমের অবস্থা খতিয়ে দেখতে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে এক্স-এ মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, উজান এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে আসামের সাম্প্রতিক বন্যা আমাদের মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। ত্রাণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে আমি চরাইদেও, নাজিরা, শিবসাগর, সোনাড়ি, জোড়হাট এবং টিয়কের বন্যাদুর্গত এলাকা ও ত্রাণ শিবিরগুলো পরিদর্শন করব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন