প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে এই দাবি করেন, যা ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তবে তার সংখ্যা আগের তুলনায় ‘অনেক কম’। তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ইরানের ড্রোন নির্মাতারা উৎপাদন করতে সমস্যায় পড়ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি।’ ট্রাম্পের দাবি, তিনি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন থেকেই এই সংঘাতের সমাপ্তি হওয়া উচিত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করে। ওই সময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
আলোচনার সময়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে হামলা চালায়। এর আগে, গত বছরও আলোচনা চলাকালীন সময়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা করা হয়েছিল।
এদিকে, ট্রাম্পের যুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি জর্জিয়ার আটলান্টায় এক নির্বাচনী সমাবেশে বলেন, তেহরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল না।
ওবামা উল্লেখ করেন, তার প্রশাসন ২০১৫ সালে তেহরানের সঙ্গে যে চুক্তি করেছিল, সেটি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিকে সীমাবদ্ধ করে।
তিনি বলেন, ‘আমাকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে হয়নি। আমি কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছিলাম।’
এই যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে তিনি সমালোচনা করেন এবং বলেন, ‘এই যুদ্ধে কারণে আমাদের মিত্ররা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো হামলার শিকার হয়েছে। আমেরিকানরা প্রাণ হারিয়েছেন। শত শত আমেরিকান আহত হয়েছেন। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে গেছে, এটি আমাদের আরও অরক্ষিত করে তুলেছে; আর এখন হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের ভেটো দেয়ার মতো ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়ে গেছে।’
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন