প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও কমেছে, যা দাম বাড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছে। বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণীর জন্য অপেক্ষা করছেন। এতে নীতির্নিধারকদের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে নতুন ইঙ্গিত পাওয়ার আশা করছেন তারা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা ৪৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৫০ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দামও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ১৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
নাগাডটকমের বাজার বিশ্লেষক ফ্র্যাঙ্ক ওয়ালবাম মন্তব্য করেন, ‘সোনার দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও তা সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা দেখাতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, সভার কার্যবিবরণী থেকে ফেডের মুদ্রানীতি এবং সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সমর্থনের মাত্রা স্পষ্ট হবে। এটি ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার হিসাবও পরিবর্তন করতে পারে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের কোনো ঘটনার প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের আয়, ডলার বা তেলের দামে যে পরিবর্তন আসবে, তা সোনার দামের ওপর প্রভাবকে আরও জোরালো করে তুলতে পারে।
ফেড কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়টি উঠে এসেছে।
সান ফ্রান্সিসকো ফেডের প্রেসিডেন্ট মেরি ডেলি বলেন, সুদের হার আরও বাড়ানো প্রয়োজন কি না, তা মূলত নির্ভর করছে মুদ্রাস্ফীতি উসকে দেওয়া কারণগুলো মিলিয়ে যাচ্ছে নাকি অব্যাহত থাকছে তার ওপর। অন্যদিকে, কানসাস সিটি ফেডের প্রেসিডেন্ট জেফ স্মিড মন্তব্য করেন, মুদ্রাস্ফীতি কমাতে সুদের হার আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত সোনার চেয়ে এমন সব সম্পদকে বেশি পছন্দ করেন, যা থেকে নিয়মিত আয় করা যায়।
এদিকে ইতালির সোরেন্টোতে অনুষ্ঠিত লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, আগামী ১২ মাসের মধ্যে সোনার দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ১৩ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
অন্যদিকে, রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পূরণ এবং সাত মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ‘অর্থবহ’ মাত্রায় কমাতে হবে।
স্পট সিলভারের দর প্রায় ১ শতাংশ কমে ৬১ দশকি ১২ ডলারে নেমেছে এবং প্ল্যাটিনামের দর শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭০৪ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে প্যালাডিয়ামের দর শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন