প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাশিয়ার হামলা যেভাবে থামছে না, ইউক্রেনও পাল্টা গঠন আবারও আরও গভীরে নিয়ে যাচ্ছে। অনুশাসন করা হামলার ফলে ইউক্রেনে একদিনেই নিহত হয়েছেন অন্তত আটজন, আহত ৩৫ জন। একদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি প্রতিষ্ঠানে ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক আক্রমণ মস্কোর যুদ্ধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। সত্যিই এ রকম পরিস্থিতিতে একে অপরকে ছাড় দিতে নারাজ দুই পক্ষ।
ইউক্রেনজুড়ে আবার বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, এ হামলায় বেশ কিছু মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, দিনিপ্রো শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। অন্যদিকে, জাপোরিঝিয়ায় যাত্রীবাহী মিনিবাসে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সুমি অঞ্চলসহ অন্য কয়েকটি স্থানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ হতাহতের ঘটনার খবর দিয়েছে।
নতুন এই হামলার পর ইউরোপের প্রতি আবারও আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বিশেষভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে সক্ষম রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
রাশিয়ার হামলায় আটটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ধারাবাহিক চাপের আরেকটি উদাহরণ।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের দীর্ঘ-পাল্লার ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ বদলানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি, প্রতিরক্ষা শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থায় একের পর এক আক্রমণ চালাতে সক্ষম হয়েছে। ফলে রাশিয়া এবং অধিকৃত ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অগ্রগতি ধীর হয়ে যাওয়ার পেছনে এসব হামলার প্রভাব দেখা যাচ্ছে বিশ্লেষকদের মতে।
কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পরিস্থিতিকে ‘সাময়িক বাধা’ হিসেবেই দেখছেন। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংকট হচ্ছে তা স্বীকার করলেও যুদ্ধ থামাতে তিনি কোন ছাড়ের আভাস দেননি। ক্রেমলিনও জানিয়েছে, রুশ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের লক্ষ্য মেটাতে তারা আত্মবিশ্বাসী। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে রাশিয়ার অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং জনমনে চাপ বাড়ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন