প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের কার্যক্রম সাড়ে ছয় বছরেও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কেবলমাত্র কয়েকটি কলাম নির্মাণের পরে কাজ ফেলে চলে গেছে ঠিকাদার। এই নতুন ভবনটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২০ সালের মার্চে পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি চারতলা ফাউন্ডেশনের ভবন নির্মাণের জন্য দরপত্র জারি করে। উক্ত কাজটি পায় পটুয়াখালীর টাউন কালিকাপুরের মেসার্স হাসান অ্যান্ড ব্রাদার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই বছর, প্রাথমিক কাজ হিসেবে পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা কয়েকটি কলাম নির্মাণ করার পর তারা ভবনের আর কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে যায়নি।
যখন কাজ শুরু হয়েছিল, তখন বিদ্যালয়ের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সময় তিনি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু ভবন নির্মাণের কাজটি এগিয়ে নেওয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র হাওলাদার বলেন, ‘আমি পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করেছি, কিন্তু ভবন নির্মাণের বিষয়ে কোনো সমস্যা সমাধান হয়নি। নতুন শ্রেণিকক্ষ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তা ছাড়াও নির্মাণকাজের স্বার্থেবিদ্যালয় ভবনের একটি শ্রেণিকক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু সাড়ে ছয় বছর ধরে সেই কক্ষটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ওই নির্মাণাধীন ভবনের ভিতের মাটি কিছু অংশ গর্ত হয়ে ডোবার মতো হয়ে গেছে, স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে মাছ ছেড়েছেন। বিদ্যালয়ে ২৪৫ জন শিক্ষার্থীর শ্রেণীকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য নতুন ভবন নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য সকল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি নির্মাণাধীন ভবন সম্পর্কে অবহিত নন।
বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মোবাইল নম্বরে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা সত্ত্বেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পটুয়াখালীর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুল কবির বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে বারবার কাজের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। নির্মাণাধীন ভবনটির কাজ শেষ করার জন্য বিধিমোতাবেক আবার দরপত্র দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন