প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের সম্ভাবনা এড়াতে সৌদি আরব মার্কিন প্রশাসনকে একটি বার্তা পাঠিয়েছে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন করে ইরানে হামলা না চালাতে জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি সহকারী ফোনালাপে তিনি এই অনুরোধ করেছেন।
সৌদি আরবের মধ্যে একটি গভীর উদ্বেগ রয়েছে, যে ইরানে যদি কোনো বড় ধরনের মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলা হয়, তবে সেটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতি সৌদি আরবের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র ভিশন ২০৩০ প্রকল্পের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সহকারীরা জানান, ঘটনাটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং বাব-এল-মান্দেব ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার পর থেকে শুরু হয়েছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে সৌদি রিয়াদ মনে করছে, বর্তমানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান অবস্থা আরো জটিল করে ফেলবে।
তেহরান ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি নতুন আক্রমণ চালায়, তাহলে তারা ইসরায়েলসহ অন্য অঞ্চলগুলোর জ্বালানি ও অবকাঠামোর ওপর পাল্টা আঘাত হানবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ যদি মার্কিন হামলায় সহায়তা করে, তখন তাদেরকেও ছাড় দেয়ার পরিকল্পনা নেই।
সৌদি বিশ্লেষকরা মনে করেন যে, দীর্ঘ সময় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাথে লড়াই করার পর রিয়াদ একটি বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে, যে কেবল সামরিক শক্তি ব্যবহার করে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আর এ কারণেই তারা নতুন সামরিক সংঘাতের দিকে না গিয়ে কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করার পক্ষে মনে করছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেলের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় স্বাভাবিক করার জন্য কাতার, ওমানসহ প্রতিবেশী অন্যান্য দেশগুলোও বর্তমানে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন