প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চব্বিশের জুলাইয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র, তাদের সাজার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন।
এ ছাড়া, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী, যিনি আকাশ নামে পরিচিত, এছাড়াও পাঁচ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা এই আপিল করেছেন।
আইনজীবী, আজিজুর রহমান দুলু, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আসামিদের আপিল সম্পর্কিত তথ্য নিশ্চিত করেন।
আইনজীবী এই বিষয়টি জানিয়ে বলেন, তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় এবং প্রসিকিউশন ক্ষমমাণ অপরাধের বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি; তাই এজন্য তারা এ ধরনের আপিল করেছে।
মামলার প্রেক্ষিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে আবু সাঈদ পুলিশ গুলিতে নিহত হন। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান ছিল এবং চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রায় দেওয়ার সময় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন, পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং আটজনকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ১১ জনকে ৩ বছর করে সাজা দেওয়া হয়। এক আসামির হাজতবাসের সময়কে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান, যিনি জীবন নামে পরিচিত, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, যিনি নয়ন এবং বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, যিনি মাধব নামে পরিচিত।
১০ বছর করে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ, যিনি বাচ্চু নামে পরিচিত, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান, যিনি বেল্টু এবং বেরোবির গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল, যিনি আসাদ এবং ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
৫ বছর করে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আরএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, যিনি সুমন নামে পরিচিত, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী, যিনি আকাশ বা দিশা নামেও পরিচিত, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, যিনি মাসুদ, বেরোবির অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান, যিনি বাবু এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সারোয়ার হোসেন, যিনি চন্দন নামে পরিচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন