প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আজ মহাঅষ্টমী, যা শারদীয় দুর্গোৎসবের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোর থেকে শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার আরাধনা, যা কল্পারম্ভ, বিহিতপূজা ও চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনব্যাপী বিভিন্ন মন্দিরে পূজা, পুষ্পাঞ্জলি এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন ভক্তরা।
কুমারী পূজা মহাঅষ্টমীর একটি বিশেষ আকর্ষণ। এই দিনে নারীশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে কুমারী কন্যাকে দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়।
রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল থেকেই চলছে মহাঅষ্টমীর পূজা-অর্চনা। সেখানে সকাল সাড়ে ৯টায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, এক থেকে ১৬ বছর বয়সী কুমারী কন্যাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়ে থাকে।
সনাতন শাস্ত্রীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে, কুমারী কন্যার মধ্যে জগৎমাতার রূপ কল্পনা করে ভক্তরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। নারীর মধ্যে মহামায়ার শক্তির প্রকাশ রয়েছে, এই বিশ্বাস থেকেই কুমারী পূজার আয়োজন করা হয়। নারীকে সম্মান জানানো এবং নারীশক্তির আরাধনা এই পূজার অন্যতম তাৎপর্য।
মহাঅষ্টমীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার হলো সন্ধিপূজা। অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, চণ্ড ও মুণ্ড নামের দুই অসুরকে বধের জন্য দেবী দুর্গার চামুণ্ডা রূপ ধারণের স্মরণে এই আচার পালন করা হয়।
অষ্টমীর পূজায় ভক্তরা ফুল ও বেলপাতা হাতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করবেন। পূজা শেষে তারা কুমারী দেবীর আশীর্বাদ গ্রহণ করবেন। এছাড়া, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে পূজা-অর্চনা শেষে ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও উৎসবের আবহে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মহাঅষ্টমীর দিনটি উদ্যাপন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন