প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিষয়টি বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জল চুক্তি স্বাক্ষরের সময় দেশের স্বার্থকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করে নিতে হবে।"
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের আয়োজনে এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদের কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারিত্ব ও অগ্রাধিকার শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে পানিসম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, "বর্তমান সরকারের জন্য পানি নিয়ে ন্যায্য হিস্যা আদায় করা হলো অগ্রাধিকার। আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে।"
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের আদায় করে নিতে হবে এবং আমরা চুক্তি বাস্তবায়নের সময় নিজেদের স্বার্থকে কিভাবে প্রাধান্য দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আশা রাখছি।" তিনি আরও জানান, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা ৩৫ বছরের দীর্ঘ প্রকল্প। এ প্রকল্পের সঙ্গে দেশের ৩ ভাগের ২ ভাগ মানুষের ভাগ্য জড়িত।
মন্ত্রী বলেন, "আমি স্যানিটাইজেশনের আন্দোলন ২০০১ সাল থেকে করে আসছি। নির্বাচনের আগে নতুন করে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা আবারও হয়েছে, যা নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ আছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটানোর জন্য আমাদের সাড়ে চার বছরে কাজ করতে হবে।"
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এসডিজি অর্জনের জন্য প্রান্তিক মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করতে হবে এবং এর জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, নারী-পুরুষের সমতা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে তিন দিনের একটি জাতীয় সম্মেলনে আলোচনা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া সম্মেলনে মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, নারীর অধিকার, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগণের বৈষম্য কমানোর বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরেন আয়োজকরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন