প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ান এলাকার বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্রী গৃহবধূ সানজিদা আক্তার মারিয়াকে (১৮) হত্যার দায় স্বীকার করেছে স্বামী সাইফুল ইসলাম।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে পুলিশ গত শনিবার (১১ জুলাই) সাইফুল ইসলামকে (২১) আদালতে পাঠিয়েছে। জানতে পাওয়া গেছে, নিহত সানজিদা লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্সের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
গত শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ গোড়ান আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। রাতেই সাইফুলকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
নিহতের ভাই মো. চান মিয়া জানান, প্রায় আট মাস আগে কুমিল্লার হোমনা থানার বাসিন্দা সাইফুলের সঙ্গে মারিয়ার বিয়ে হয়। তারা বিয়ের পর ওই বাসার নিচতলায় ভাড়া উঠেছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মারিয়াকে সাইফুল বারবার ফোন দিচ্ছিলেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে সক্ষম হচ্ছিলেন না। তখন মারিয়ার স্বামী সাইফুলকে ফোন করা হলে, বাসায় গিয়ে দেখে আসতে বলা হয়।
চান মিয়া আরও জানান, পরে স্বজনরা ওই বাসায় গিয়ে রান্নাঘর সংলগ্ন বারান্দার মেঝেতে মারিয়াকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় একটি কালো দাগ ছিল। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল করার পর খিলগাঁও থানা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য রাতের বেলায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
খিলগাঁও থানার পুলিশ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। সেইসাথে গ্রেফতার স্বামী হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
এছাড়া জানানো হয়েছে, সানজিদা আক্তার মারিয়াকে গলায় পাটের সুতলি পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, যা প্রথমদিকে আত্মহত্যা হিসাবে প্রচার করা হয়। এই ঘটনার জন্য নিহতের ভাই চান মিয়া শনিবার খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সাইফুলের বাবা-মাকে নিয়ে সাংসারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন