প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রায় ২৮ লাখ ৩২ হাজার মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে করা মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ক শুনানি পিছানো হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দিয়েছেন।
এদিন অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য মামলাটি কার্যতালিকায় ছিল, কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম সময়ের আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২৩ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান, অটাম লুপ ও পিয়ারলেস গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিউর রহমান, পরিচালক রেজিয়া আক্তার এবং আরআর গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও আহমেদ শাহরিয়ার রহমান।
মামলার নথি অনুযায়ী, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অনুসন্ধানে জানতে পারে যে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড ও পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে বিদেশে পণ্য রফতানির আড়ালে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করা হয়েছে। অটাম লুপ অ্যাপারেলস জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে খোলা তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে ফেরত আনা হয়নি।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এফজেডই-এর কাছে এসব পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, একই পরিবারের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে অর্থ বিদেশে স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পুলিশ পরিদর্শক মো. ছায়েদুর রহমান আদালতে ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন