প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দর পরিদর্শনে গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোব) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ থেকে নৌপথে মোংলা যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি যাত্রা করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম খুলনা সফর। বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।
এরপর বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে মোংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। নলিয়ানে পৌঁছানোর আগে তিনি হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ করেন। নলিয়ান থেকে সেখানে নির্ধারিত সভায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনালের মেগা প্রকল্প নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ ও ড্রেজিংসহ থমকে থাকা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।
গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দর জেটি, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল ও নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরে আসবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শেখ সাহেদ আলী রবি মন্তব্য করেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ জন্য চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধিতে ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি কাস্টমস হাউজ ও শুল্ক বিভাগের আধুনিকায়ন জরুরি।’ প্রধানমন্ত্রীর আগমন এসব উদ্যোগকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরে এ অঞ্চলে বিনিয়োগে আরও গতি আসবে। পাশাপাশি উপকূলীয় জনপদে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কাজ হারানো বিপুলসংখ্যক মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সব মিলিয়ে এলাকার অর্থনীতি, অবকাঠামো ও মানুষের জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তন হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন