প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভোলার মনপুরায় টানাবর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে উপকূলের বেড়ির বাহিরে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ১০ হাজার বাসিন্দা।
এদিকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি চলছিল। গত ৪ দিন ধরে উপকূলে টানা বৃষ্টির কারণে মূল ভূখণ্ডে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাজার হাজার বাসিন্দা বিপাকে পড়েছেন। অপরদিকে, মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন চরকলাতলী, ডালচর ও কাজীর চরেও ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা যুগান্তরকে জানান যে, মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখতে পাওয়া যায় যে, টানাবর্ষণে মনপুরার মূল ভূখণ্ডের মধ্যে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে উত্তর সাকুচিয়া, দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজিরহাট এবং মনপুরা ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাসরত বাসিন্দারা। গত তিন দিন ধরে তারা বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছেন। এতে তারা চুলায় হাড়ি না ওঠায় অনেকেই উপোস, আবার কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
অন্যদিকে, উপকূলের সর্বত্র ২-৩ ফুট পানিতে জলাবদ্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপদে পড়েছেন। উপকূলের হাট-বাজার বন্ধ রয়েছে, ফলে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। স্থানীয় লোকজন দাবি করেছেন যে, মনপুরা অঞ্চলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে চারপাশের বেড়িবাঁধের কাজ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তারা খুব কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, টানাবর্ষণ এবং মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন