প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতীয় নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পাঁচটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল ওনারশিপ ইন প্র্যাকটিস: স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ স্টেট ইনস্টিটিউশনস থ্রু ইন্টারন্যাশনাল পিসবিল্ডিং সাপোর্ট’ শীর্ষক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত দুই দশকে স্থানীয় জনগণ, জাতীয় সরকার এবং জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় সহিংসতা প্রতিরোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি শান্তি বিনির্মাণ কমিশনকে এসব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলছে। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন করেছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের পাঁচটি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—স্থানীয় শিল্পকে বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করে নারী ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শান্তিরক্ষা থেকে শান্তি বিনির্মাণে রূপান্তরে পিবিসির পরামর্শমূলক ভূমিকা জোরদার করা, নারী-শান্তি-নিরাপত্তা ও যুব-শান্তি-নিরাপত্তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা, ২০২৫ সালের শান্তি বিনির্মাণ কাঠামো পর্যালোচনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
বক্তব্যের শেষে তিনি জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন