প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দুইদিন আগে দগ্ধ হন। এই ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যজন দগ্ধ আছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
নিহত দুজনের নাম মো. শাহীন (২৪) এবং হাফসা (৮) বলে জানা গেছে। সম্পর্ক অনুযায়ী, তারা মামা ও ভাগনি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসা এবং শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ৬টার দিকে শাহীনের মৃত্যু হয়।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, নিহত শাহীন যিনি পেশায় একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন, তিনি পরিবারসহ নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের ওই ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন। মঙ্গলবার ভোরের দিকে একটি বিকট শব্দ শুনে দেখা যায়, গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটেছে। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাটারা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে তিনজন হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহীন আজ সকালে ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে, তার ভাগনি হাফসা গত রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যায়; তার শরীরে ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দগ্ধ শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন