প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা ও জীবনবিমুখ সংস্কৃতির বিস্তার রোধে সরকার সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, আগামী ১৯ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।
আজ জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে যে অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা এবং সংগ্রামবিমুখ সংস্কৃতির বিস্তার ঘটতে শুরু করেছে, তা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়। তিনি বলেন, এক দেশের স্থিতিশীলতা যখন জাতীয় পুঁজির বিকাশ হতে ব্যাহত হয় এবং লুটপাটনির্ভর অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও আইনব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি বলেন, ‘লুটপাটের অর্থ দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করা যায়। এইভাবে শিল্প, সংস্কৃতি, আইনব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসস্তূপের ওপর এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তনের কাজ করছি।'
নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ যৌথভাবে কাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, যেসব উপজেলায় এখনো শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম চালু হয়নি, সেগুলোর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা শুরু করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকলে ইউএনওয়ের কার্যালয়ের ভবনে কক্ষ নিয়ে সাময়িকভাবে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যদি স্থান নির্ধারণ করা যায়, তাহলে চলতি বছরেই নতুন উপজেলাগুলোতে শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, সরকার শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিকাশেও সরকার সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার নেতৃত্বে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে এবং এ প্রচেষ্টায় সফল হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন