প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শেখ হাসিনার আমলে শিক্ষিত বেকারত্বের হার বেড়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি শনিবার (২৫ জুলাই) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পপুলেশন সায়েন্স বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মন্তব্য করেন।
প্রধান আলোচক পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, পতিত সরকার জনমিতিক বোঝা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। জনমিতিক যেখানে লভ্যাংশ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে আমরা জনমিতিক বোঝা নিয়ে বাস করছি। কর্মক্ষম মানুষ অনেক, তবে নির্ভরশীল মানুষ কমে গেছে। কিন্তু শিক্ষিত বেকারত্বের হার বেড়েছে। ২০২০ থেকে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। তিনি নাম উল্লেখ না করে জানালেন, যে সকল ব্যক্তি শিক্ষায় নাই, কর্মসংস্থানে নাই, প্রশিক্ষণে নাই, তাদের মধ্যে ৪১%। এই ৪১% এর মধ্যে নারীদের সংখ্যা ৬২%। বেকারত্বের সংখ্যা ২০২০ সাল থেকে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্য সুযোগ ছিল যে, প্রতি চারজনের মাঝে একজন যুবক। কিন্তু সেটা কাজে লাগায়নি পতিত সরকার। একটি দেশের জনশক্তি কতটা গাদ্দারি করলে জনগণের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করেন। শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে যায়। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ০.৭%। শিক্ষায় যে শিক্ষার্থী ১২টি শ্রেণি সম্পন্ন করেছে, তার স্থান হচ্ছে পাঁচ ধাপ নিচে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে কিন্তু পড়ানো হয় না যে, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সময় দারিদ্র্য কমে গিয়েছিল। পরবর্তীতে, দারিদ্র্য বিমোচনের হার বেড়ে গিয়েছিল। তবে আমি আশা করি, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক ব্যয় বৃদ্ধি ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনমিতিক বোঝাকে জনমিতিক লভ্যাংশে পরিণত করা যাবে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতের কথা বললে, উপজেলা হাসপাতালগুলোয় শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ২০টি শয্যা ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে এটি ৩০টি শয্যায় রূপান্তরিত করা হয়। এরপরে আর বাড়েনি। আমরা এসেছি, এটি ১০১ শয্যায় নিয়েছি। আমাদের একটি দর্শন রয়েছে সবার আগে বাংলাদেশ, অর্থাৎ সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন আই হ্যাভ এ প্ল্যান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশারফ হোসেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার উদ্দীন এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন