প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পটুয়াখালীর বাউফলে, এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগের কারণে জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে, যখন ফারুক হোসেন প্যাদাকে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আটক করে স্থানীয় কয়েকজন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে যে, এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে ফারুক হোসেন প্যাদাকে তারা মারধর করেন। পরে, ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে, ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ফারুক অভিযোগটি অস্বীকার করে জানান, 'স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। এই বিরোধের কারণে আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, এক নারীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ আমাকে বাড়াবাড়ি না করতে বলেছিল, কিন্তু আমি সরে গেছি। তারা আমাকে কোথাও হাতেনাতে ধরতে পারেনি, তারপরও তারা আমার বিরুদ্ধে গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে মারধর করেছে।' অন্যদিকে, গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম জানান, ফারুক অনেক দিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিরক্ত করছিল। তিনি বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করতেন এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে চাইতেন। আশপাশের লোকজন আগে থেকেই এ বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা বিশ্বাস করেননি। পরবর্তীতে ফারুকের ছেলে তাদের ছেলেকে কিছু ছবি দেখালে তারা বিষয়টি বিশ্বাস করতে বাধ্য হন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল, কিন্তু এরপরও ফারুক আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দেয়। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন