প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারের উপর হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর(আইআরজিসি)। অন্যদিকে সতর্কবার্তা পেয়ে অন্য চারটি ট্যাঙ্কার ফিরে যায়। আইআরজিসির অভিযোগ, ট্যাঙ্কারগুলো তেহরানের প্রটোকল বা নিয়মকানুন ‘লঙ্ঘন’ করার চেষ্টায় একটি অননুমোদিত পথ ব্যবহার করছিল।
আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার(৩১ জুলাই) ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। তখন মার্কিন বিমান পাহাড়ায় দুটি ট্যাঙ্কার চলাচল করছিল যা ইরানের অঘোষিত রুট হিসেবে চিহ্নিত ছিল। এমনকি এই ট্যাঙ্কারগুলো ইরানের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওই দুটি ট্যাঙ্কারকে আঘাত করে থামানো হয় এবং অন্য চারটি দ্রুত তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে ফিরে যায়। আইআরজিসি জানায়, গত রাতে সেন্টকমের মিথ্যা বিবৃতির জবাবে তারা সমস্ত শিপিং ও বীমা কোম্পানির মালিকদের সতর্ক করে জানায় যে, সেন্টকমের বিবৃতির প্রতি যেন তারা কোনো গুরুত্ব না দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছিল, নিয়মকানুন পুরোপুরি মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য তারা ২৪টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করিয়েছিল এবং অন্য চারটি জাহাজকে অচল করে সেগুলোতে আরোহণ করেছিল।
আইআরজিসির দাবি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল অনিরাপদ। তবে সেন্টকম এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, বেসামরিক নাবিক ও কর্মীদের জন্য প্রধান হুমকি হলো আইআরজিসির কার্যকলাপ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে এবং এর জবাবে তেহরান পুরো অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
ইরানের সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-র মাধ্যমে প্রকাশিত পরবর্তী এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জোর দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার জন্য জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন