প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকার কাবাল পুলিশ স্টেশনের প্রধান ফটকে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য এবং ১০ জন বেসামরিক নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ হামলার ঘটনায় সোমবার একটি প্রতিবেদনে জানা যায় যে, হামলায় আহত আরও দুই পুলিশ সদস্য—সিপাহী মুকাররম খান ও সিপাহী হুসেন খান—হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের মৃত্যুতে হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা সাতজন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।
এ ঘটনায় আরও ১৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়ে আহত আছেন। মিঙ্গোরার পুলিশ প্রশিক্ষণ স্কুলে নিহত পুলিশ সদস্যদের জানাজা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, হামলায় নিহত ১০ বেসামরিক নাগরিককে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে।
কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনর বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাবাল থানার প্রধান ফটককে লক্ষ্য করে চালানো আত্মঘাতী বিস্ফোরণে আনুমানিক ৬ থেকে ৮ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।
এদিকে, মালাকান্দ আঞ্চলিক পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ ফিদা হাসান শাহ এবং সোয়াতের জেলা পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ উমর খান আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে যান সাইদু শরীফ হাসপাতালে। তারা আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ কাবালে আত্মঘাতী হামলার নিন্দা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। শাহবাজ শরীফ আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের লড়াই চলবে। তিনি আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন