প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে, যদি তারা ইরানে হামলা চালায়, তাহলে পারস্য উপসাগরের তলদেশে অবস্থিত সাবমেরিন ক্যাবলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
রয়টার্সের কাছে ইরানের দুই ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই কর্মকর্তা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করেননি। তেহরান কিভাবে বা কোথায় এ ধরনের হামলা চালাবে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাননি। তবে একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ইন্টারনেট সংযোগসহ যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটানোর পাশাপাশি তা মেরামতের কাজেও বাধা সৃষ্টি করবে ইরান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তাদের একজন বলেছেন, “যদি ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে আর কোনো রেড লাইন থাকবে না... সাবমেরিন ক্যাবল থেকে শুরু করে সামরিক ঘাঁটি, এমনকি গোপন ঘাঁটিগুলোও এর আওতাভুক্ত হবে।”
ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আগুন নিয়ে না খেলতে।” সাবমেরিন ক্যাবলগুলোর ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং সেগুলো ধ্বংস করা সহজ।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) রাজনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধান ইয়াদোল্লাহ জাভানি জানিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা হলে হরমুজ প্রণালির তলদেশে থাকা সাতটি প্রধান ইন্টারনেট ক্যাবলকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হতে পারে।
জাতিসংঘের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় ৯৯ শতাংশই সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর নির্ভরশীল। তবে টেলিকমিউনিকেশন গবেষণা প্রতিষ্ঠান টেলিজিওগ্রাফির গবেষণা পরিচালক অ্যালান মউল্ডিনের মতে, ইরানের এ ধরনের হামলার বৈশ্বিক প্রভাব সীমিত হতে পারে, কারণ আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের ১ শতাংশেরও কম হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন