প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আন্তর্জাতিক ফুটবলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের কারণে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছিল ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা। বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানিয়েছিল মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার। তবে আইওসি যে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেটা পরিষ্কার হয়েছে।
আইওসি এক বিবৃতিতে বিস্তারিত জানায়, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মূলত ফিফার শাসনব্যবস্থা, সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ফুটবলের নিয়ম বাস্তবায়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। উল্লেখ্য, এসব বিষয় আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নৈতিকতা বিধির আওতাভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অলিম্পিক কমিটির কাছে ফিফা বা তাদের কোনো কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড তদন্তের এখতিয়ার নেই।
আইওসির এই বক্তব্য তখন এসেছে, যখন নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ) বালোগানের স্বয়ংক্রিয় একটি ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিফার নৈতিকতা কমিটিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এনএফএফ সভাপতি লিসে ক্লাভেনেস বিবিসিকে বলেন, ‘এই ঘটনায় তাদের সংস্থা গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন।
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয় প্রাপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান লাল কার্ড দেখেছিলেন। তার ফলে পরের ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নিষিদ্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কারণে সেই নিষেধাজ্ঞা ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ফলে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি।
ফেয়ারস্কয়ার মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা অভিযোগ করেছিল যে, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ফিফার নীতি লঙ্ঘন হয়েছে। সংস্থার দাবি, ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো অলিম্পিক সনদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন। উল্লেখ্য, ইনফান্তিনো ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য।
অলিম্পিক সনদের দ্বিতীয় ধারায় আলোচনা হয়েছে, আইওসি সদস্যরা কোনো সরকার, সংস্থা বা অন্য কোনো পক্ষের এমন নির্দেশনা গ্রহণ করতে পারবেন না, যা তাদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা ভোটদানে প্রভাব ফেলতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন