প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে বলেছেন, নতুন উদ্যোক্তারা বিশেষ করে বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করেছে।
রোববার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের ২৩তম দিনে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারের এসব উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরতে উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী সংসদকে আরও জানান, তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র (সিএমএসএমই) খাতের নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে।
তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন যে, এ তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পারবেন এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।
অর্থমন্ত্রী স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য বলেন, তাদের ঋণপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সহজ করতে ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠিত হয়েছে। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
ঋণের পাশাপাশি, অর্থমন্ত্রী এও জানান, স্টার্টআপগুলোর ইক্যুইটি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশের ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশীদারিত্বে 'বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি' গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলো সরাসরি ইক্যুইটি সহায়তা বা মূলধনী বিনিয়োগ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।
অর্থমন্ত্রী বেকারদের কর্মসংস্থানের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে ১ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল পরিচালিত হচ্ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সম্পন্ন এই তহবিলটি ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই সফলভাবে শেষ হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার আরও একটি বড় তহবিল গঠনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন