প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
১৯৯২ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন, এমন মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।
তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।
সোনিয়া গান্ধী বলেন, "বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় আমি কেঁদে দেই। এরমাধ্যমে আমি বুঝতে পারি ভারতের সামনে তার ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ লড়াই সামনে রয়েছে।"
উত্তর প্রদেশের উগ্রপন্থিদের মধ্যে ওই সময় রামজন্মভূমি আন্দোলন বিস্তৃত হচ্ছিল। বাবরি মসজিদের নিচে প্রাচীন মন্দির আছে এমন অভিযোগ তুলে এটি ভেঙে ফেলা হয়।
সোনিয়া গান্ধী ওই কাজে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির হাত ছিল সেটি উল্লেখ করে বলেন, "আমি বুঝতে পারি মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং তার সহকর্মীরা যে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন সেটি রক্ষায় ভারত কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হচ্ছিল।"
তিনি আরও বলেন, ভারতে বিজেপি ও তাদের উগ্র হিন্দুত্ববাদের যে উত্থান হয়েছে সেখানে কংগ্রেসেরও ভূমিকা আছে বলে স্বীকার করেছেন সোনিয়া।
এদিকে, সোনিয়া বাবরি মসজিদ নিয়ে এমন বক্তব্য দেওয়ার পর বিজেপি তাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছে। বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস হলো ‘হিন্দু বিরোধী’।
তিনি এক্সে লিখেছেন, "সোনিয়া গান্ধী বাবরি মসজিদের জন্য চোখের পানি ফেলেন, সোনিয়া গান্ধী বাটলা হাউজের জন্য চোখের পানি ফেলেন। সোনিয়া গান্ধী প্রমাণ করেছেন কংগ্রেস হলো বাবরপন্থি এবং ভগবান রাম বিরোধী। সোনিয়া গান্ধীর ভোট ব্যাংক কমতেই থাকবে।"
বাবরি মসজিদ ভাঙার জেরে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় দ্বন্দ্ব বাধে। যার রেশ দীর্ঘদিন ছিল। বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালে সেখানে মন্দির নির্মাণ করে সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন