প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার শোকাহত মায়ের শারীরিক অবস্থার নজর রাখতে বুধবার (১ জুলাই) রাজধানী ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে উপস্থিত হন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম। তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং রামিসার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান।
হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গেছে, কন্যাশোকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া রামিসার মা গত ২৩ জুন অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি হন। মানসিক আঘাত এবং শারীরিক জটিলতার কারণে তিনি পরিপাকতন্ত্র ও স্নায়বিক সমস্যা ভোগ করছেন। হাসপাতাল ভর্তির পর তার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যেমন এমআরআই এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, তার মানসিক স্থিতির উন্নতির জন্য এ পর্যন্ত দুটি কাউন্সেলিং করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
অধ্যাপক ডা. রফিকূল ইসলামের কাছে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রামিসার মা। কান্নাজড়িত গলায় তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমি এখনো প্রতিদিন রামিসার ডাক আমার কানে শুনতে পাই।’ মেয়েকে হারানোর হতাশায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
রামিসার বাবা তখন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আপনারা আমার রামিসার মাকে সুস্থ করে ফিরিয়ে দিন।’ তার এ আকুতি উপস্থিত সবাইকে আবেগঘন করে তোলে।
চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চলমান চিকিৎসায় রামিসার মায়ের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও তার বেশ কয়েকটি শারীরিক ও মানসিক সমস্যা রয়ে গেছে, বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরিবারের অন্য কোন সদস্য রামিসার ছোট বোনকে দেখভাল করার মতো না থাকায়, পরিবারের অনুরোধে বুধবার তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠানো হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদে তার চিকিৎসা ও মানসিক পুনর্বাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম রামিসার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং শোকজড়িত সাংবাদিকের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন