প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হলো। সাক্ষী অসুস্থ থাকায় নতুন দিন হিসাবে বুধবার (১২ আগস্ট) সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ দিনটি নির্ধারিত হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চেয়েছেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি বলেন, এ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে আগামীকাল বুধবারের জন্য নতুন দিন ঠিক করেন।
এর আগে, ২২ জুলাই ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা শেষ করা হয়েছিল। গত ১৮ জুন তার সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দিতে তিনি গুম-নির্যাতন ও দীর্ঘ আট বছর কারাগারে থাকার ভীতিকর বর্ণনা তুলে ধরেন। হেফাজতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে মিথ্যা মামলায় আটকে রাখার জন্য শেখ হাসিনাসহ গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিচার চেয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন।
এই মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাঁদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সময় ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা হলেন- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।
বাকি আসামিরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগ গ্রহণ করেছিল ট্রাইব্যুনাল-১। পরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে ১৮ ডিসেম্বর বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন