প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের ফলে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ অর্জন করেছেন নাটোরের ৮ জন এবং বগুড়ার ১ জনসহ মোট ৯ জন শিক্ষার্থী।
গতকাল প্রথম দিনের পরীক্ষায় বসতে না পারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ভুল ছিল প্রধান কারণ। শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
অন্যদিকে, নাটোরের লালপুরে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের টাকার জন্য জমা দেওয়ার পরও বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। কারণ, কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করায় প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি।
গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পরই শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে। ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীর সাথে কথা বলেন। তিনি বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
মন্ত্রীর নির্দেশে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড শুক্রবার বিশেষ ব্যবস্থায় ওই ৮ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। ফলে আগামীকাল শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরবর্তী সব পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। মন্ত্রী গণমাধ্যমে বিস্তারিত বিষয়টি তুলে ধরা জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
অর্থ আত্মসাতের এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে শিক্ষামন্ত্রী নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক ও লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের সাথে টেলিফোনে কথা বলেন। মন্ত্রীর নির্দেশের পরে পুলিশ অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য আব্দুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে একটি ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করার পরও কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুলের কারণে গতকাল পরীক্ষা দিতে না পারা আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়। মন্ত্রী তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে ফোনে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর নির্দেশে আজ ওই শিক্ষার্থীরও ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনিও আগামীকাল থেকে নিয়মিতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন