প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তিতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ বরাদ্দ ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে একটি চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্পের জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তিতে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।
ছাড় করা এই অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনুদানের অর্থ শুধুমাত্র প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে। এর মধ্যে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একইসঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার ও হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন