প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে। অন্যদিকে, ইরান তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রুবিও মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হামলা বন্ধ করতে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের শর্ত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান ও কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা নিশ্চিত করতে চাই, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।"
হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। যুদ্ধের আগে, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে, সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও, হরমুজ প্রণালি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এসব বিষয়ে সমঝোতা না হলে সংঘাত নিরসনে অগ্রগতি কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন