প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
খুলনার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের গদাইপুর মোড় এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কারণে জলাবদ্ধতা ও ভাঙনের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। ফলে স্থানীয় সড়ক, দোকানপাট, বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীরা দাবি জানিয়েছেন দ্রুত ড্রেনেজ নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে জানানো হচ্ছে, গদাইপুর মোড়ের আরএইচ সড়ক ও ব্যবসায়ীদের দোকানের পাশে অবস্থিত ড্রেনের পানি একটি কালভার্টের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। কিন্তু পানি বের হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে গেছে এবং পলিথিন ও বিভিন্ন আবর্জনা জমে গিয়ে প্রায়ই পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি অথবা অতিবৃষ্টির সময় নার্সারি, বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পানি জমে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ভোগে পড়েন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগের পর বিএনপির আহ্বায়ক চিকিৎসক আব্দুল মজিদ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এই সময় ইউএনও জরুরি ভিত্তিতে দুটি প্রকল্প প্রস্তাব দাখিলের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ নির্মাণ বা সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এ সময়ের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত না করে ড্রেনটি খোঁড়াখুঁড়ি ও সম্প্রসারণ করা হবার কারণে সম্প্রতি অতিবৃষ্টির ফলে ড্রেনের দুই পাশ ধসে পড়েছে। যার ফলে আরএইচ সড়ক ও পাশের দোকানপাটও ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কাজী আবুল বাশার খোকা বলেছেন, যদি দ্রুত ড্রেনেজ নির্মাণ না করা হয়, তাহলে সড়ক ও দোকানপাট আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। এতে যান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান বলছেন, উক্ত স্থানে পাকা ড্রেন নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি, তবে বর্তমানে কোনো বরাদ্দ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া গেলে ড্রেন নির্মাণ করা হবে।
এলাকাবাসী দ্রুত ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন