প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রংপুরে ঘটে যাওয়া আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে পুলিশের বিরুদ্ধে আলামত নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস।
তিনি দাবি করেছেন, হত্যাকাণ্ডের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে পানি দিয়ে ধোয়া হয়েছে। পার্থ দাসের অভিযোগ, তার ভাই সিদ্ধার্থকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পুলিশ এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছে।
এ বিষয়ে দায়িত্বরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, ভুলবশত মটারের সুইচ অন হয়ে গিয়েছিল। যখন ট্যাংকির পানি ভর্তি হয়ে যায়, তখন সেটি বন্ধ করা হয়। তিনি বলেন, "অন্য কিছু না। যারা বলছেন আলামত নষ্ট করা হয়েছে, তাদের তথ্য সঠিক নয়।"
গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে পানি নিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, "এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। লাইটের সুইচ অন করার সময় ভুলবশত মোটরের সুইচ অন হয়ে যায়। কারণ পুলিশ তো এই বাড়ির কোথায় কি সেটা জানে না।" তিনি আরও বলেন, "এতে ট্যাংকির পানি ওভার ফ্লো হয়ে ছাদে পড়েছে, আর কিছু নয়। আলামত নষ্ট করার অভিযোগ একেবারে অবান্তর। কারণ আলামত লাশ উদ্ধারের সময় সংরক্ষণ করা হয়েছে।"
এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে তালাবদ্ধ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, রাতে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। পুলিশ দাবি করেছে, এই তিনজন ঘটনার রাতে একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে শনিবার (২৯ আগস্ট) ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন