প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি তিনতলা টাউনহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে এক দম্পতি এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া ৭৩টি বিড়ালের মৃত্যু হয়েছে। তবে আগুনের মধ্যে থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে দুই মাস বয়সী একটি শিশু ও এক বৃদ্ধাকে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ব্যাংককের থন বুরি জেলার সামরে এলাকার সোই তাকসিন ১১ নম্বর সড়কের একটি আবাসিক ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্যাংকক পোস্ট।
পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সূত্র থেকে জানা যায়, সকালবেলা আগুন লাগার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন দমকলকর্মীরা। আগুন ভবনের নিচতলা থেকে দ্রুত দ্বিতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রায় ১০ মিনিটের প্রচেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সক্ষমতা দেখান। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির এবং তার ৫৫ বছর বয়সী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সামরে থানার পুলিশ জানায়, প্রথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, ঘন ধোঁয়ার কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করার জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে পথের অসহায় ও পরিত্যক্ত বিড়ালকে উদ্ধার করে নিজেদের বাসায় আশ্রয় দিতেন। জানা যায়, তাদের বাড়িতে প্রায় ১০০টি বিড়াল ছিল। প্রাণীদের প্রতি এই ভালোবাসা তাঁরা এলাকাজুড়ে পরিচিত করে তুলেছিল।
ব্যাংককের গভর্নর চ্যাডচার্ট সিত্তিপুন ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ফলে মোট ৭৩টি বিড়াল মারা গেছে। তবে ১৯টি বিড়ালকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত দুটি বিড়াল বর্তমানে একটি পশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য ১৭টি বিড়ালকে নিরাপদে প্রাওয়েত জেলার একটি প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে আরও বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন