প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উন্নত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও ভালো বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
তিনি শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, ‘এখানে উপস্থিত আপনারা কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারো আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের নিজেদের বা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশ উপভোগ করতে পারছে।’
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের বিভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগের কথা তিনি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি বা যারা আহত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষা ছিল– বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’
রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি ও শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রানীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়।
এ ছাড়াও, আন্দোলনে গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারের হাতেও নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়। সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেয়া শহীদ আবদুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
নিয়োগপত্র গ্রহণ শেষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল مোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন