প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর আদাবরে ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ও মামলার দ্বিতীয় নম্বর আসামি পারভেজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৫ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) চারজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন: রিপন, নিরব, মজনু মিয়া ও মো. মিজানুর রহমান। একই সঙ্গে অভিযানে তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকুও জব্দ করা হয়েছে।
গত বুধবার (১ জুলাই) রাতে আদাবরের নবোদয় বাজার এলাকায় ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে দ্বন্দ্বের সালিশ বৈঠক চলাকালে বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশাসহ দু’জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাদের প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে বাদশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আবুল বাশার বাদশা ছিলেন আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া আহত অপরজন হলেন: আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
পুলিশ ও মামলার সূত্র থেকে জানা যায়, ব্রাজিল ও জাপানের খেলা দেখা নিয়ে গত ২৯ জুন রাতে নবোদয় হাউজিংয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটেছিল। ওই ঘটনায় নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা একটি পক্ষ এবং একই এলাকার রিপন ও পারভেজ ছিলেন আরেকটি পক্ষ। এই বিষয় নিয়ে বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় দুই পক্ষই নবোদয় হাউজিংয়ে সালিশের জন্য বসে।
কিন্তু বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় রাত ৮টার দিকে বিএনপি নেতা সাদ্দাম ও বাদশা সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে ফেলে দেয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক আবুল বাশার বাদশাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন