প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গত সাত মাস ধরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভাব রয়েছে, ফলে উপজেলার শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রে জানা গেছে, সাত মাস আগে মুকসুদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদে শাহাদাৎ আলী মোল্লা দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার পর থেকে এখানে নতুন কোন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পোস্টিং হয়নি। এক সপ্তাহ পরে কাশিয়ানী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজা বেগমকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মুকসুদপুরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মন্ডল মন্তব্য করেন, "সাত মাস ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় বিদ্যালয়গুলোর অফিসিয়াল কার্যক্রম এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।"
যদিও কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, তবে দুই উপজেলার কাজ পরিচালনায় তার জন্য সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জরুরি কাজ, কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তার পরামর্শ প্রয়োজন হয়। নতুন শিক্ষা কর্মকর্তার নিয়োগ জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির জানান, "মুকসুদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার কার্যক্রমে প্রভাব পড়বে। পূর্ববর্তী কর্মকর্তা গত সাত মাস আগে অবসর গ্রহণ করেছেন। আমরা এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। যত দ্রুত সম্ভব নতুন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুকসুদপুরে আসবেন।"
গোপালগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন বলেন, "মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্য পদে আপাতত কাশিয়ানী যিনি দায়িত্বে আছেন, তাকে অতিরিক্ত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রায় সকল উপজেলায় একই পরিস্থিতি বিরাজমান, এই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান হবে। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভাবের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নানা জটিলতা দেখা দিচ্ছে। তাই আমরা মুকসুদপুরে নতুন কর্মকর্তার নিয়োগের চেষ্টা করছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন