প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং জামায়াতের নীতি আদর্শ থেকে বিচ্যুতির কারণে চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভা জামায়াতের দুই নেতা দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হাসান আফনান এবং মিরসরাই পৌরসভা জামায়াতের যুব বিভাগের সাইদুল ইসলাম।
সম্প্রতি মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের একটি দায়িত্বশীল রোকন বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বহিষ্কারের বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, সাইদুল ও আফনান জামায়াতের মূল আদর্শ থেকে সরে গিয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদেরকে সংশোধনের জন্য একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তারা নিজেদের সংশোধন করেননি। জামায়াতের অনেক শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছ থেকেও তারা চাঁদা দাবি করেছেন। ফলে দলের রোকন সদস্যদের আপত্তি ও দাবির মুখে দলের শৃঙ্খলা ও নীতি-আদর্শ রক্ষার জন্য তাদের দায়িত্বশীল বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মিরসরাই পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা শিহাব উদ্দিন বলেন, "জামায়াতের নীতি আদর্শ হলো সৎলোকের শাসন ও আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করা।" তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে, বহিষ্কৃতরা তার বিপরীত পথে হাঁটছিলেন। তাদেরকে সতর্ক করার পরেও সংশোধন না হওয়ায় শাস্তি স্বরূপ বহিষ্কার করা হয়েছে।
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল কবির বলেন, "প্রয়োজনে ৫ জন নিয়ে রাজনীতি করব তবুও অসৎ লোকদের জায়গা দেওয়া হবে না।" তিনি বলেন, তাদের সততার ঘাটতি ছিল, তাই তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাংগঠনিক নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদেরকে এড়িয়ে চলার জন্য।
এ বিষয়ে ইমরান হাসান আফনান মন্তব্য করেন, "আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সর্বশেষ কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। চাকসুর নির্বাচিত স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক। আমি তো জামায়াতের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হইনি। তাহলে জামায়াত কীভাবে আমাকে বহিষ্কার করবে?"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন