প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নওগাঁর পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি (সমমান) পরীক্ষায় প্রক্সি (অন্যের হয়ে পরীক্ষা) দেওয়ার অভিযোগে মূল পরীক্ষার্থী এবং প্রক্সি দাতা উভয়কেই আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১৭৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
শনিবার (৪ জুলাই) পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।
ডান্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মূল পরীক্ষার্থী পোরশা থানার বারিন্দা গ্রামের মো. জাহিদ হাসান (২১) এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী একই থানার দেওনাপাড়া গ্রামের বিপ্লব বর্মন (২০)।
পরীক্ষা কেন্দ্র ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার এইচএসসি (সমমান) পরীক্ষা চলাকালীন পোরশা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানের রোল নম্বরের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন বিপ্লব বর্মন। পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বে থাকা শিক্ষক বিপ্লবের আচরণ ও প্রবেশপত্র দেখে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন। তারপর তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কেন্দ্রে কর্তব্যরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষা কক্ষে গিয়ে জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী বিপ্লব বর্মনকে আটক করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানকেও পরীক্ষা কেন্দ্রে ডেকে এনে আটক করা হয়। একই সাথে তাদের দুজনকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এরপর পরীক্ষা কেন্দ্রেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষা সমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০-এর ১৩(৩-ক) ধারা মোতাবেক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা নং-৯৬ ও ৯৭-এর মাধ্যমে আটককৃত উভয়কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সঙ্গে ১৭৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পাবলিক পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে প্রশাসন ও পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আটককৃত দুই আসামিকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন