প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সান ফ্রান্সিসকোর ঘটনাক্রমে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে এক নাটকীয় মুহূর্তের সাক্ষী হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উক্ত ম্যাচে তিনি দারুণ এক গোল করে নিজের দলের জয়ের ভিত তৈরি করলেও, ৬৫তম মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এই কারণে ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য কিন্তু অবাঞ্ছিত রেকর্ডে গ্যালারিতে নিজের নাম লিখিয়েছেন বালোগান, যেখানে তার নামের সাথে অন্যান্য কিংবদন্তিরাও রয়েছেন যেমন জিনেদিন জিদান, রোনালদিনহো এবং গারিঞ্চা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে সান ফ্রান্সিসকোর মাঠে তিনি দুর্দান্ত এক গোল করে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির পরেও যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচটি ২-০ গোলের দাপটের মাধ্যমে জয়ের পথে থাকে, তবে তাদের ১০ জনের দল হয়ে খেলতে হয়েছে ম্যাচের প্রায় আধঘণ্টারও বেশি সময়। ৬১তম মিনিটে বসনিয়ার ডিফেন্ডার মুহারেমোভিচের সঙ্গে মারাত্মক সংঘর্ষের কারণে বালোগানকে মাঠ ছাড়তে হয়। রেফারি মাঠের উত্তেজনা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে ভিএআরের সাহায্য নেন এবং দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৬৫তম মিনিটে বালোগানকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন। এই লাল কার্ডের মাধ্যমে বালোগান বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ইতিহাসে গোল করার পাশাপাশি লাল কার্ড দেখার জন্য বিশ্বের মাত্র চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এর আগে আরও একটি নাটকীয় ঘটনাস্থল মিলেছিল ২০ বছর আগে, ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ ফাইনালে। সেবার ইতালির বিরুদ্ধে গোল করার পর অতিরিক্ত সময়ে মেটারাজ্জিকে ঢুস মেরে লাল কার্ড দেখেছিলেন ফ্রান্সের মহানায়ক জিনেদিন জিদান, যে ম্যাচটি টাইব্রেকারে হারিয়ে যেত। তারও চার বছর আগে, ২০০২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য ফ্রি-কিক গোলের পরে ৫৭ মিনিটে লাল কার্ড পেয়েছিলেন ব্রাজিলের জাদুকর রোনালদিনহো।
এবং এই তালিকার প্রথম নামটি ছিল ১৯৬২ সালে বিশ্বকাপের, যেখানে চিলির সঙ্গে সেমিফাইনালে জোড়া গোল করার পরে ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র ৬ মিনিট আগে লাল কার্ড পেয়েছিলেন ওল্ড নর্স ধাঁচের ড্রিবলিং মাস্টার গারিঞ্চা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন