প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিধবা হতদরিদ্র আকলিমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ঘরে অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি দৈনিক ইনকিলাবে এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন আকলিমার দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দেন।
নতুন ঘর পেয়ে আকলিমা বেগম শেরপুর জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন এবং সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এখন আর তাঁকে আকাশে মেঘ দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠতে হবে না। তাঁর বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামে। আকলিমা বেগমের স্বামী আব্দুস সামাদ প্রায় ১০-১২ বছর আগে মারা গেছেন।
অসুস্থতার কারণে আকলিমার কাজ করার সামর্থ্য নেই; ফলে তাঁকে অন্যের দয়ায় দিন কাটাতে হয়। তাঁর দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেছেন। মেয়ে আজমিনা স্বামীপরিত্যক্তা। তাই মা-মেয়ে গৃহকর্মীর কাজ করে খেয়ে না খেয়ে জীবনযাপন করেন। সংসারের খরচ, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও দেখভাল—এসব কিছু সামলে জীবন চালানো তাঁদের জন্য এক কঠিন সংগ্রাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের জরাজীর্ণ ঘরটিই ছিল একমাত্র আশ্রয়।
কিন্তু সেই আশ্রয়ও নিরাপদ ছিল না। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল চুইয়ে পানি পড়ত। নতুন ঘর নির্মাণ বা পুরোনো ঘর সংস্কারের জন্য তাঁদের কোন সামর্থ্য ছিল না।
তাদের এই দুরবস্থার কথা সম্প্রতি দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত হলে শেরপুরের মানবিক জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টি নজরে আনেন। পরে তিনি আকলিমার জন্য নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমানে ঘরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ঘর পেয়ে আকলিমা বেগমের দীর্ঘদিনের দুর্দশা দূর হয়েছে এবং তাঁর মনে ফিরেছে চরম স্বস্তি ও শান্তি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন