প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০ হাজারের মতো মৎস্যঘের ডুবে সমস্ত মাছ বের হয়ে গেছে, টানা অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে। এতে অন্তত ৯১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য অধিদপ্তর প্রকাশিত এক জরিপের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়াসহ মোট ১৫টি উপজেলায় এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে বহু মৎস্যচাষী তাদের সম্পূর্ণভাবে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃষ্টি ও বন্যার ফলে অদ্যাবধি ৯ হাজার ৯৩৩টি পুকুর, দিঘী ও জলাশয় প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়াও তলিং হয়ে গেছে ৩২০টি মাছের ঘের। প্লাবিত জলাশয়ের পরিমাণ মোট ৪ হাজার ১১১ হেক্টর। সবচেয়ে বেশি জলাশয় ডুবে যাওয়ার ঘটনা বাঁশখালীতে ঘটেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া, যেখানে ৩ হাজারের বেশি পুকুর ও জলাশয় পানিতে ডুবে গেছে।
চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার সকল এলাকায় জলাশয়, মৎস্যঘের ও পুকুর ডুবেছে। প্রাথমিকভাবে পরিচালিত জরিপের মাধ্যমে জানা গেছে যে, এই বন্যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৯১ কোটি টাকার বেশি।
তথ্য অনুযায়ী, পটিয়ায় ১ হাজার ৪৩৫টি জলাশয়, আনোয়ারায় ১ হাজার ১০০টি, কর্ণফুলীতে ৫৫৭টি জলাশয় এবং চন্দনাইশে ৩৮৩ জলাশয় ডুবে গেছে। এই জলাশয়গুলোর মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ১২৩ টন বড় মাছ ভেসে গেছে। পাশাপাশি ৫৭০ টন চিংড়ি এবং ৬০ লাখ টন মাছের পোনা ভেস্তে গেছে।
জরিপ অনুযায়ী, বাঁশখালীতে ৪১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, সাতকানিয়ায় ১১ কোটি টাকা, লোহাগাড়ায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা, কর্ণফুলীতে ৬ কোটি টাকা এবং চন্দনাইশে ৬ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়াও, ১৫টি উপজেলার মধ্যে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার। কেবল মাছ ভেসে যাওয়ার কারণে ক্ষতির পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। আর পোনার ক্ষতির পরিমাণ ২৩ কোটি টাকা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন