প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
একটানা অতিবৃষ্টি ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে করে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে বেশিরভাগ সবজির কেজি বর্তমানে ১০০ টাকার আশেপাশে চলছে। কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকার চেয়েও বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি, কাঁচা মরিচের দাম ৩০০ টাকা ছুঁইছুঁই অবস্থানে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর ইব্রাহিমপুর বাজার, শেওড়াপাড়া, বিজয় সরণীর কলমিলতা এবং বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বাজারে দেখা গেছে, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকার মূল্য ছাড়া, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া লাউ এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো বর্তমানে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা এবং কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে একমাত্র পেঁপে রয়েছে, যা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় প্রতি কেজি।
এর পাশাপাশি কাঁচা মরিচের দাম বাজারে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ২৪০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কাঁচা মরিচের দাম ৩০০ টাকার কাছাকাছি।
শেওড়াপাড়ার পূর্ব অঞ্চলের পাকার মাথায় ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করছেন হাসিব। তার ভ্যানে প্রতি পোয়া কাঁচা মরিচের দাম ৭০ টাকা। সে অনুযায়ী প্রতি কেজির দাম দাঁড়াচ্ছে ২৮০ টাকা।
শেওড়াপাড়ার আরেক স্থানে ভ্যানে সবজি বিক্রেতা কাঁচা মরিচের কেজির দাম জানিয়েছেন ৬০ টাকা পোয়া। এর ফলে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৪০ টাকার।
এক ক্রেতা বলেছেন, কয়েক দিন আগে যে সবজি তিনি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছেন, এখন সেটা ১০০ টাকার কাছাকাছি চলছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।
বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। মোহাম্মদপুর টাউন হলের সবজি ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদনে ক্ষতি হয়েছে, ফলে সরবরাহ সংকট আরও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমতে শুরু করবে। তবে যদি বৃষ্টি অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন