প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবিতে তার সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। বিরোধী দলের এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উভয়েই উপস্থিত রয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশ লাঠিচার্জের ঘটনার প্রতিবাদও জানাচ্ছেন তারা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন রাহুল গান্ধী। এই মিছিল থেকে নরেন্দ্র মোদি, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়। এনডিটিভির সরাসরি সম্প্রচারে বিকেল পাঁচটার পর্যন্তও তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
একটি পোস্টে রাহুল গান্ধী উল্লেখ করেন, গতকাল (সোমবার) তরুণ ও শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বরতা চালানো হয়েছে, সেই ঘটনার জবাব চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী’র বাড়ির সামনে মিছিল করেছি। সরকার কোনো দায়ভার নিতে চায় না এবং সংসদেও এ বিষয়ে আলোচনা করতে চায় না। ভারতের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
সোমবার, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী সংসদের দিকে মিছিল করেন। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই মিছিলে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ফলে বেশ কয়েকজন আহত হন।
দ্য হিন্দু সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে যন্তর-মন্তর এলাকায় শতশত মানুষ জড়ো হন এবং তারা যন্তর-মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, সকাল থেকেই এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপ আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি এক্সে জানিয়েছেন, পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় এক ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা প্রদান করেন।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে এনডিএ জোটের এমপিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি এমপিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তরুণদের কাছে গিয়ে তাদের সংশয় দূর করতে।
সূত্রে বলা হয়েছে যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, গ্রেপ্তারকৃতদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান এবং বিরোধীদের ‘ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন