প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যশোরের আট উপজেলায় এবারের দুর্গাপূজা ৭৩৭টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের তুলনায় মণ্ডপের সংখ্যা ২৮টি বেড়ে গেছে। সদর উপজেলার চাঁচড়া বর্মণপাড়া শ্রীহরি মন্দিরে এই প্রথমবারের মতো ১০১টি প্রতিমা নিয়ে বড় পরিসরে পূজার আয়োজন করা হচ্ছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সূত্রে জানা গেছে, এবারে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ৭৩৭ মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হবে। মূল পূজা ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকে শুরু হবে।
বিভিন্ন মণ্ডপে বর্তমানে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। খড়, ছন ও মাটি দিয়ে প্রতিমার কাঠামোর কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। দুই-এক দিনের মধ্যে রঙের কাজ শুরু হবে।
যশোর শহরের বেজপাড়া সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ভাস্কর শংকর মন্ডল জানিয়েছেন, তিনি এবারে ৩৭টি প্রতিমা তৈরি করছেন। সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে তিনি রাত-দিন কাজ করছেন।
বর্মণপাড়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল বর্মণ বলেন, প্রতিবছর এখানে পূজা হয়, কিন্তু এবারে ১০১টি প্রতিমা বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে। তিনি আশা করছেন, দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসবেন।
চাঁচড়া সর্বজনীন মন্দিরের সভাপতি তাপস বিশ্বাস জানিয়েছেন, এই ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। পুরোহিত ও ঢাকী ঠিক করা হয়েছে এবং প্যান্ডেলের গেট ও মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে।
এদিকে, জেলার মণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, শঙ্কাহীন পরিবেশে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন জানিয়েছেন, কোনো মণ্ডপে ডিজে না বাজিয়ে ভক্তিগীতি বাজানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, প্রতিটি মন্দিরের জন্য হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে সম্প্রীতি কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন