প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আন্দোলনকারী দীঘিনালা-সাজেক সড়কে ১২ ঘণ্টা অবরোধ শিথিল করলেও, চালক সমিতি উক্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ রেখেছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে চালক ও শ্রমিকদের বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে। তবে রাঙ্গামাটি থেকে খাগড়াছড়ি সহ আন্তঃজেলার বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সাজেককে ঘিরে চলমান সড়ক অবরোধ কর্মসূচি নতুন করে উত্তেজনা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে। বাঘাইছড়ি উপজেলা থেকে সকাল থেকে কোনো যাত্রীবাহী গাড়ি ছেড়ে যায়নি, ফলে সাধারণ যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন।
শ্রমিকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে অবরোধের কারণে দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। তাই চালক ও শ্রমিকদের বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে এই অবরোধের আয়োজন করা হয়েছে।
বাঘাইছড়ি পিকআপ ও জীপ কাউন্টারের লাইনম্যান রুনু কান্তি দে জানান, চালক ও শ্রমিকের বেতন ভাতা বৃদ্ধি, নিজেদের ইচ্ছামতো সড়ক অবরোধ ঘোষণাসহ নানা প্রতিবাদে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন। এর ফলে সকাল থেকে বাঘাইছড়ি থেকে যাত্রীবাহী কোনো পিকআপ ও জীপ ছেড়ে যায়নি এবং বাসও চলাচল করেনি।
প্রসঙ্গত, তৃতীয় দফায় গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছিল। তবে এলাকার সাধারণ জনগণের মৌলিক চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১ নভেম্বর একদিনের জন্য অবরোধ শিথিল করে সংগঠন দুটি। উক্ত সংগঠনগুলোর অন্যতম দাবি হচ্ছে, জেএসএসের সন্তু লারমা-সমর্থিত সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক থেকে সরিয়ে নিতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন