প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জামায়াতে ইসলামীর পূর্ববর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, দলটি বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক রেখেছে। বর্তমানে জামায়াতের নেতারা এমন বক্তব্য প্রদান করছেন, যেন তারা অতীতে কারো সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের চাপরাইলে আবু বক্কর বিশ্বাস মকসেদ আলী কলেজে মাদক, আত্মহত্যা, বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন, যৌতুক এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, জামায়াত অতীতে জাতীয় পার্টির শাসনামলে এরশাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছে, বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে মন্ত্রিত্বের ভাগ নিয়েছে এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গেও জামায়াতের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল।
তিনি মনে করেন, জামায়াতের বর্তমান নেতাদের বক্তব্যে অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান আড়াল করার চেষ্টা স্পষ্ট। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াতের আমির কখনো মিথ্যা বলেননি, এমন দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক নেতাদের অতিমানবীয় বা ভুলের ঊর্ধ্বে হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা উচিত নয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ভুলত্রুটি ঘটতে পারে, তবে সেগুলো স্বীকার করে সংশোধনের মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।
একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খান। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকার জন্য জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে কি না, এই প্রশ্নের উত্তর দলটিকে দিতে হবে। তার অভিযোগ, অতীতের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন