প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পিরোজপুর জেলার দীর্ঘদিন ধরে দাবিকৃত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতুবিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
শনিবার (১১ জুলাই) তিনি উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে কাউখালী, নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলার প্রস্তাবিত সেতুর নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন। সকালে প্রতিনিধি দল প্রথমে কাউখালী উপজেলার আমরাজুড়ি এলাকায় গাবখান চ্যানেলের ওপর প্রস্তাবিত আমরাজুড়ি সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। যদি সেতুটি নির্মিত হয়, তবে কাউখালী ও নেছারাবাদ উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেতুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিচালন ও প্রশাসন) আলতাফ হোসেন শেখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জেল হোসেন, পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইসরাত জাহান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান। সেই সাথে কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ সহ অন্যান্য উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রতিনিধি দল আমরাজুড়ি ফেরিঘাট থেকে স্পিডবোটে নেছারাবাদ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর দুপুরে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার চরখালী সেতুর সম্ভাব্য নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর জাতীয় সংসদে জেলার জনগুরুত্বপূর্ণ এই তিনটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মে ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতুবিভাগের সচিবের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়। সেখানে পিরোজপুর জেলার মানুষের যাতায়াত সহজ করার জন্য এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে আমরাজুড়ি, চরখালী ও সন্ধ্যা নদীর সেতু সহ তিনটি সেতুর নির্মাণকে জরুরি উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেতুবিভাগের সচিবের এই পরিদর্শনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দাবিকৃত তিনটি সেতুর নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে, বলে স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন