প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং কয়েক ঘণ্টার তীব্র বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই বন্যার কারণে উপজেলার অন্তত ৫ থেকে ৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বিস্তীর্ণ আমন ধানক্ষেত, বীজতলা ও গ্রামীণ রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার বাগানবাজার ও দাঁতমারা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাগানবাজার এবং দাঁতমারা ইউনিয়নের নতুনপাড়া, হলুদিয়া, লালমাই, চিকনছড়া ও বড়বিলসহ বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ভোরের দিকে শুরু হওয়া হঠাৎ ভারী বৃষ্টির পর খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চল থেকে তীব্র বেগে ঢল নামতে শুরু করে। সীমান্ত এলাকার পাহাড়ি ছড়া ও খালগুলোর পানি ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। অনেক কাঁচা ও পাকা ঘরবাড়ির উঠান পর্যন্ত পানি ওঠায় স্থানীয় বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গবাদিপশু ও ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন।
বন্যার কারণে কৃষিখাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সবেমাত্র রোপণ করা বিঘার পর বিঘা আমন ধানক্ষেত ও বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে থাকায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় ওই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, "এই পানি মূলত খাগড়াছড়ি থেকে এসেছে। আকস্মিক এই বন্যায় এলাকার রাস্তাঘাট ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছি এবং আপাতত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন