প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
উৎসবের আনন্দে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বের হওয়া সময় বজ্রপাতে নিহত ৬ শিশু-কিশোরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তারা একই কবরস্থানে পাশাপাশি অবস্থান করছে চিরনিদ্রায়।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মালঞ্চি ইউনিয়নের মহাদেবপুর গোরস্থান মাঠে নিহতদের জন্য একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর তাদের দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
এর আগে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলের মধ্যে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- মালঞ্চি ইউনিয়নের গজমতিকুন্ডা এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২৪), নলমুড়া এলাকার ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল মোল্লা (২০), শাজাহান প্রামানিকের ছেলে মিজানুর রহমান (১০), নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১৪), শাহাদুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) এবং ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই বিলে মাছ ধরার জন্য গিয়েছিল তারা। বিকেলের দিকে ৮ জন বৃষ্টির কারণে বিলের একটি টং ঘরে আশ্রয় নেয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ৬ জনের মৃত্যু ঘটে এবং ২ জন গুরুতর আহত হন। তারা কিছু সময় টং ঘরে পড়ে ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে আশপাশের লোকজন মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
স্বজনদের মতে, হতাহত সবাই শখের বশে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। নিহত আবদুল্লাহর বাবা শাহাদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বেটারা শখ করে মাছ ধরতি গেছিল। কী হতে কী হলো বুঝলেম না। বুকটা ফাটে যাচ্ছে।’
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানিয়েছেন, জানাজা শেষ হয়েছে। নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। সরকারের ঘোষিত বজ্রপাতে নিহত ও আহতদের আর্থিক সহায়তা নীতিমালার আওতায় নিহত পরিবারকে ৫০ হাজার এবং আহত পরিবারকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন